আমীনরুহুলের যতকীর্তিতে আপনাকে স্বাগতম!

মোহাঃ রুহুল আমীন বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের  কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগে চতুর্থ বর্ষে অধ্যায়নরত। স্বপ্ন দেখেন উদোক্তা হওয়ার। কাজ করে যাচ্ছেন নিজের স্টার্টাপ এক্সোডিয়া আইটির সাথে। স্বপ্ন দেখেন আরডুইনো কমিউনিটি বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের স্কুলগুলোতে আরডুইনোর প্রসার নিয়ে। এছাড়াও কাজ করে যাচ্ছেন গুগোল ডেভেলপার গ্রুপ জিডিজি সোনারগাও,ড্রিমস ফর টুমোরোর মত অর্গানাইজেশনের সাথে। 

লেখালেখি

আরডুইনোতে হাতেখড়ি

 

বইটি হাতে নিয়েই পাঠক হয়ত প্রথম প্রশ্ন করবে, আরডুইনো আবার কী জিনিস? সহজে বললে, আরডুইনো একটি ছোট্ট ইলেক্ট্রনিক্স বোর্ড। একটা ছোট কম্পিউটার সিস্টেম। আরডুইনো দিয়ে অনেককিছু বানানো সম্ভব। যদি উদাহরণ দেয়া যায়- আরডুইনো দিয়ে বাতি জ্বালানো থেকে শুরু করে, স্বয়ংক্রিয় গাড়ি বানানো, উদ্ভট সব আবিষ্কার, স্মার্ট হোম, কৃষির অটোমেশন, নিজের বিজ্ঞান প্রজেক্ট, আইডিয়ার প্রোটোটাইপ, এমনকি শিল্পকারখানা পর্যায়ের কঠিন কঠিন যন্ত্রপাতিও বানানো সম্ভব। আরডুইনো দিয়ে কী কী বানানো সম্ভব, তা একমাত্র ব্যবহারকারীর কল্পনা দ্বারা সীমাবদ্ধ। বিশ্বব্যাপী আরডুইনো নিয়ে প্রচুর কাজ করা হচ্ছে। গুগোলের মত অনেক বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানও তাদের নতুন আইডিয়ার প্রোটোটাইপে আরডুইনো ব্যাবহার করে থাকে।

 

বাংলাদেশেও আরডুইনো নিয়ে প্রচুর কাজ হচ্ছে। দেশিয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো হার্ডওয়্যারভিত্তিক কাজে আরডুইনো ব্যবহার করছে। অপরদিকে বাংলাদেশে ছেলেমেয়েরা এখন বিশ্বব্যাপী অলিম্পিয়াডগুলোতে যাচ্ছে ও পদক জয় করে আনছে। যেকোনো রোবটিক্স প্রতিযোগীতা এবং আন্তর্জাতিক রোবট অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহনের জন্য আরডুইনো হতে পারে অন্যতম একটি উপাদান। আইওটি নিয়ে কাজ করার জন্যও এই বইটি হবে প্রথম পাঠ।

আমাদের দেশে একটা সুন্দর সংস্কৃতির শুরু হয়েছে। কিছু সংখ্যাক মানুষ তরুণদের মাঝে শেখার আগ্রহ বাড়াতে এবং শিক্ষার্থীরা যেন দারুণ কিছু শেখার রিসোর্স পায় সেজন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই যে কিছু সংখ্যাক মানুষ যারা দেশটাকে ভালোবাসে, দেশের ছোট ছোট ক্ষেত্রগুলোয় অবদান রাখতে চায়, দেশের জন্য কিছু একটা করতে চায়, আমরাও সেই মানুষগুলোর পথে হাঁটতে চাই।

আর এ ভালোবাসা থেকেই আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য উপহার আরডুইনোর এই বই।

বইটি সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

হয়ে ওঠো একজন প্রবলেম সল্ভার

বইটি স্কুল ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি, কলেজ ১১শ – ১২শ শ্রেণি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ১ম – ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য লেখা। এই বইটি পড়ার জন্য তোমার সামান্য প্রোগ্রামিং ধারণা থাকলে সুবিধা পাবে। তুমি যদি স্কুলের হয়ে থাকো, এই বইটি পড়ার আগে “আরডুইনোতে হাতেখড়ি” পড়ে নিলে এই বইটি পড়তে কঠিন মনে হবে না। স্কুল কলেজকে মূল উদ্দেশ্য করে লিখা হলেও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা এই বইটি থেকে সর্বোচ্চ আনন্দ পাবে বলে আমাদের বিশ্বাস। এছাড়াও পলিটেকনিকের শিক্ষার্থীরা এবং তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পরিচালিত রোবোটিক্স ও আইওটি’র কোর্সের শিক্ষার্থীরাও নিজেদের প্রজেক্টের কাজে এই বই থেকে প্রচুর সহায়তা পাবে।

এই বইতে আমরা আরডুইনোকে গভীরভাবে বুঝার চেষ্টা করেছি। নতুন নতুন সেন্সর, মডিউল, শিল্ড, অ্যাকচ্যুয়েটর, কমিউনিকেশন ডিভাইস, আইওটি নিয়ে কাজ করেছি। তবে এই বইতে আমরা নিছক আরডুইনো, আইওটি বা রোবোটিক্স শেখায় জোর দিই নি। বরং আমরা জোর দিয়েছি সমস্যা সমাধানের দক্ষতা (Problem Solving Skill) বৃদ্ধিতে। আর আরডুইনোকে আমরা নিয়েছি সমস্যা সমাধানের একটি টুল (Problem Solving Tool) হিসেবে। পাশাপাশি আমরা ডিজাইন থিংকিং, ইউজার সেন্ট্রিক ডিজাইন, প্রোটোটাইপিং এবং প্রোডাক্ট ডিজাইনের মতন বিষয়গুলো নিয়েও কথা বলেছি।
আমাদের বিশ্বাস, বইটি পড়ার পর পাঠকের চিন্তাজগতে পরিবর্তন আসবে। সমস্যা সমাধানের মানসিকতা সৃষ্টি হবে। যেকোনো বাস্তব-জীবন সমস্যায় পাঠক নিজেকে প্রস্তুত মনে করবে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার-ভিত্তিক সল্যুশন সৃষ্টিতে।
প্রবলেম সলভার তরুণ-তরুণীদের হাতেই গড়ে উঠুক সমৃদ্ধির বাংলাদেশ।

বইটি সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

স্টার্টাপ ও স্বপ্ন

টেকনোলজিকে ভালোবাসা ও নিজেদের কিছু একটা থাকার স্বপ্ন থেকে কয়েক বন্ধু মিলে  তৈরী করেছেন তাদের আইটি ফার্ম এক্সোডিয়া আইটি। তারা বিভিন্ন রকম প্রবলেম সল্ভিং মোবাইল এপ ডেভেলপমেন্ট নিয়ে কাজ করছেন।

এক্সোডিয়া আইটি সম্পর্কে জানুন

শিক্ষা

উচ্চশিক্ষা

বিভাগঃ কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং
বিশ্ববিদ্যালয়ঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সেশনঃ ২০১৫ -২০১৬

উচ্চ মাধ্যমিক

কলেজঃ নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজ
এইচএসসি ব্যাচঃ ২০১৫

মাধ্যমিক

স্কুলঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল এসএসসি ব্যাচঃ ২০১৩

স্কিল

ইলাস্ট্রেটর

68%

ইউজার এক্সপেরিয়েন্স

82%

ওয়েবসাইট ডিজাইন

74%

এওয়ার্ডস এন্ড এচিভমেন্ট

যোগাযোগ

যোগাযোগের জন্য ইমেইল করুন

ameensunny242@gmail.com

Copyright © 2019 ameenruhul — Escapade WordPress theme by GoDaddy